Logo
Logo
×

রাজনীতি

১০ হাজার মেগাওয়াট বেশি উৎপাদন ক্ষমতার বিদ্যুৎ কেন?

Icon

অনলাইন

প্রকাশ: ২০ মে ২০২৪, ১২:৫৯ পিএম

১০ হাজার মেগাওয়াট বেশি উৎপাদন ক্ষমতার বিদ্যুৎ কেন?

বিরোধী দলীয় নেতা গোলাম মোহাম্মদ কাদের জাতীয় সংসদে প্রশ্ন তুলে বলেন, প্রয়োজনের থেকে ১০ হাজার মেগাওয়াট বেশি উৎপাদন ক্ষমতার বিদ্যুৎ কেন? তিনি ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেছেন, এই ১০ হাজার মেগাওয়াটের বেশি উৎপাদন ক্ষমতা সম্পন্ন বিদ্যুৎ কেন্দ্রগুলো অলস বসে আছে। উৎপাদন ছাড়াই সেগুলোকে ক্যাপাসিটি চার্জ দেয়া হচ্ছে। অথচ ওই কেন্দ্রগুলোর সক্ষমতা নিয়ে জনমনে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ মে) দ্বাদশ জাতীয় সংসদের দ্বিতীয় অধিবেশনের সমাপনী বক্তব্যে এ সব কথা বলেন তিনি। এসময় স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী সভাপতিত্ব করছিলেন।

জি এম কাদের বলেন, রাজধানী ঢাকায় বিদ্যুৎ সরবরাহে তেমন কোন ঘাটতি হয়নি। শহরের তুলনায় গ্রামাঞ্চলে, এমনকি শিল্পাঞ্চলেও লোডশেডিং বাড়ছে। এ কারণে শিল্পকারখানায় উৎপাদন ব্যাহত হচ্ছে। এতে অর্থনীতিতে বিরূপ প্রভাব পড়ছে। এপ্রিলের শেষ সপ্তাহে যখন সারাদেশে তীব্র তাপদাহ ছিলো, তখন সংকট প্রকট আকার ধারণ করে। এসময় দেশের গ্যাস সঙ্কটের চিত্র তুলে ধরে তিনি বলেন, অচিরেই দেশ জ্বালানী সঙ্কটে পড়তে পারে। এসময় তিনি কোটি কোটি টাকা ঋণ খেলাপি, ব্যাং লুটপাট, আর্থিক সংকটসহ নানা অনিয়ম তুলে ধরেন।

বিদ্যুৎ পরিস্থিতির সার্বিক চিত্র তুলে ধরে জি এম কাদের বলেন, আমাদের চাহিদা ১৭ হাজার মেগাওয়াট। আর বিদ্যুৎ উৎপাদন সক্ষমতা ২৭ হাজার ১৬২ মেগাওয়াট। প্রয়োজনের বেশী ১০ হাজার মেগাওয়াটের উপরে উৎপাদন ক্ষমতার বিদ্যুৎ কেন্দ্র বসে আছে। এই ১০/১১ হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুতের উৎপাদন এবং সরবরাহের বিষয়টি পিডিবির কর্মকর্তাদের পরিকল্পনা প্রণয়নে বিবেচনায় আসেনি। সংকট পরিস্থিতিতে সরবরাহ নিরবচ্ছিন্ন রাখার জন্য এই অতিরিক্ত উৎপাদন ক্ষমতার বিদ্যুৎ কেন্দ্রসমূহ বেসরকারি খাতে অনেক বেশী সুবিধা নিয়ে স্থাপন করা হয়েছিলো। কিন্তু অনুসন্ধানে দেখা যায়, বেসরকারি মালীকানাধীন কেন্দ্র কখনো বিদ্যুৎ উৎপাদন করেনি বা কম সংখ্যক বিদ্যুৎ উৎপাদন করলেও এর পরিমাণ তাদের সক্ষমতার এক থেকে ২ শতাংশ। অর্থাৎ কেন্দ্রগুলো অধিকাংশ সময়েই উৎপাদন বিহীন অলস সময় পার করেছে।

যুগের চিন্তা ২৪ কর্তৃক প্রকাশিত
ই-মেইল: [email protected]

অনুসরণ করুন